Your one-stop destination to discover everything Indian that is happening on the Internet

লাশ

গ্রামের নাম রোহনপুর|ফিরোজ সেই গ্রাবমই বাস করে|নতুন বিয়ে হয়েছে|ভালই কাটছিল দিনকাল|একদিন হাট করে ফিরে আসার সময়,ফিরোজ গ্রামের রাস্তার পাশের তাল গাছের ওপর কিছুর নড়াচড়ার শব্দ শুনতে পায়,পাখি হবে ভেবে সে ব্যাপারটা কেয়ার করেনা|যখন সে বাড়ির ঠিক কাছাকাছি আসল,তখন সে বুঝতে পারলো যে তার ঘাড়টা বেশ ভারি মনে হচ্ছে|সে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমায় পরলো। হঠাৎ মাঝ রাতে তার ঘুম ভেঙে যায়|তার কিছুতেই ঘুম আসছিল না,সে হাতমুখ ধুয়ার জন্য বের হল,ঠিক তখনই সে দেখতে পেল একটি বিরাট বড় শকুন সাদা কাপড়ে মোরা কিছু নিয়ে পাশের বড়ই গাছে বসলো ।

কৌতুহল বসত সে দেখতে পেল শকুনটি জিনিসটা খাচ্ছে,পূর্ণিমার আলোয় বুঝতে পারল সেটি একটি লাশ|বুঝতে না বুঝতে শকুনটি লাশ খেয়ে তার মাথা নিচে ফেলল,মাথাটি দেখে চমকে উঠল,এতো পাশের বাড়ির খালেকের মাথা,সে ছুটে গেল খালেকের বাড়ি,ডাকতেই খালেক বের হল,খালেককে দেখে সে ভাফল তার ভুল হয়েছে|সে ঘুমিয়ে পড়ল|পরদিন সকালে ফিরোজের ঘুম ভাঙল কান্নার শব্দে.কাল রাতে খালেক ঘুমের মাঝে পারা গেছে|
এরপর সে গ্রামের সকলকে সব কথা বললেও কেউ বিশ্বাস করেনি|এরপর থেকে প্রতি রাতে ফিরোজ


এর ঘুম ভাঙত,আর সেই শকুনটি এসে একটি করে মাথা ফেলে যেত| এসব কথা তার স্ত্রী জানত এবং বিশ্বাস করত| একদিন রাতে শকুনের ফেলে যাওয়া মাথা দেখে থমকে যায় ফিরোজ,এতো তারই মাথা|সে তার স্ত্রীকে ঘুম থেকে জাগিয়ে সব জানায়|এসব জেনে তার স্ত্রী কান্নায় ভেঙে পড়ে|সারা রাত ফিরোজকে পাহাড়া দেয় সে,সকাল হলে সে ফিরোজের কপালে হাত রেখে জোড়ে কেদে ওঠে সে,কারন ফিরোজ আর নেই,তার কপাল বরফের নেয় ঠান্ডা হয়ে আছে
Share:

Pageviews

Blog Archive